ভোটার সংক্রান্ত বিভিন্ন ফর্ম জমা না নেওয়ার অভিযোগে শিলিগুড়ির এসডিও অফিসে হাজির হলেন তিন বিধায়ক। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক আনন্দময় বর্মন, দুর্গা মুর্মু ও শঙ্কর ঘোষ। তাঁদের অভিযোগ, ইআরও দপ্তর ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ফর্ম গ্রহণ না করে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মধ্যে ফেলছে।
বিধায়কদের দাবি, আগের দিনও তাঁরা ভোটার ফর্ম জমা দিতে এসডিও অফিসে এসেছিলেন, কিন্তু সেদিনও কোনও ফর্ম গ্রহণ করা হয়নি। পুনরায় ফর্ম জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসে তাঁরা ইআরও দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের অভিযোগ, কিছু বিএলও অযথা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন, যার ফলে বহু ক্ষেত্রে জীবিত ভোটারদের মৃত হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
এছাড়াও অভিযোগ ওঠে, ছয় ও সাত নম্বর ভোটার ফর্ম গ্রহণ করতে অস্বীকার করা হচ্ছে। ফর্ম জমা দেওয়ার পর কোনও ধরনের স্বীকৃতি বা অ্যাকনলেজমেন্ট না দেওয়াতেও ক্ষুব্ধ বিধায়করা। তাঁদের দাবি, শাসক দলের তোষামোদ করতে গিয়ে ইআরও দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নিজেদের সাংবিধানিক দায়িত্ব ভুলে যাচ্ছেন।
বিধায়করা আরও জানান, তাঁরা চারবার এসডিও অফিসে এলেও একবারও এসডিও তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তাঁরা বলেন, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয়, সেই প্রশাসনিক শালীনতা ও আইন আইএএস আধিকারিকদের জানা উচিত।
শেষে স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বিধায়করা বলেন, সরকার ও দল কোনওটাই স্থায়ী নয়। আজ যারা ক্ষমতায় রয়েছে, আগামী দিনে তারা নাও থাকতে পারে। সেই সময়ে প্রশাসনিক আধিকারিকরা কী ভূমিকা নেন ও কীভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা নজরে রাখা হবে বলেও মন্তব্য করেন।
