সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে অবৈধ সিকিম মদের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে রাজ্যের এক্সাইজ দপ্তর। স্পেশাল এক্সসাইস কমিশনার, এনফোর্সমেন্ট (নর্থ) সুজিত দাস এক সাংবাদিক বৈঠকে জানান, দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ পদ্ধতিতে সিকিম থেকে মদ এ রাজ্যে পাচার হয়ে আসছে। এই মদের অধিকাংশই অবৈধভাবে তৈরি, যা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। পাশাপাশি এর ফলে রাজ্যের রাজস্বেরও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
তিনি জানান, বর্তমানে ভুটানি মদের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভুটান থেকে এ রাজ্যে মদ পাচারের ঘটনা অনেকটাই কমেছে। তবে সিকিম থেকে আসা অবৈধ মদের বিরুদ্ধে এক্সাইজ দপ্তর কোনও রকম ছাড় দিতে নারাজ। রাজ্যে প্রবেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাচ্ছে এক্সাইজ দপ্তরের সক্রিয় কর্মী ও গোয়েন্দা সূত্র।
সুজিত দাস স্পষ্টভাবে বলেন, “সবার আগে সাধারণ মানুষের স্বার্থ। সেই কারণেই সিকিম থেকে আসা অবৈধ মদের বিরুদ্ধে জলপাইগুড়ি ডিভিশনের এক্সাইজ দপ্তর কঠোর অবস্থান নিয়েছে।”তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ রুখতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
উল্লেখ্য, গত তিন বছরে এক্সাইজ দপ্তর কয়েক হাজার অভিযান চালিয়ে কয়েকশো গাড়ি আটক করেছে সাথে প্রায় হাজারখানেক অবৈধ পাচারকারীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।
এছাড়াও এদিন দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় অভিযান চালিয়ে ৭০ কেস অবৈধ সিকিমের মদ উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দুটি গাড়িও আটক করা হয়েছে, যেগুলি সিকিম থেকে অবৈধভাবে মদ পাচারের উদ্দেশ্যে এ রাজ্যে আনা হচ্ছিল বলে জানান স্পেশাল এক্সসাইস কমিশনার।
