একেতেই তিস্তার করাল গ্রাস তার ওপর হাতির হানা এই দুইয়ের যাতাকলে পড়ে বিপন্ন শিলিগুড়ি সংলগ্ন লালটং ও চমকডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দারা। পাহাড় সহ সমতলের প্রবল বৃষ্টিতে তিস্তা নদী গতিপথ পরিবর্তন করে শিলিগুড়ি সংলগ্ন চমকডাঙি গ্রামটিতে ধংসলিলা চালায়। পাড় ভাঙতে ভাঙতে গ্রামটিকে নিশ্চহ্ন করা শুরু করে। আতঙ্কে বৃহস্পতিবার দিনভর গ্রামবাসীরা তদের সহায় সম্বল নিয়ে অন্যত্র সরে যাওয়ার তোরজোর শুরু করে। এরই মধ্যে ফের বর্ষায় তিস্তা পাড়ের এই গ্রামের অস্তিত্ব একেবারেই বিপন্ন হওয়ার মুখে। তার ওপর বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকা হওয়ার এখানে মাঝে মধ্যেই হাতি ঢুকে পড়ে। এদিন রাতেও হাতি এলাকায় তাণ্ডব চালায়। এরই মাঝে আজ শুক্রবার ওই এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে উপস্থিত হন শিলিগুড়ি মেয়র গৌতম দেব।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি মহকুমা শাসক , সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, জেলা পরিষদের সদস্যা মনীষা রায়, মেয়র পারিষদ শোভা সুব্বা সহ অন্যান্যরা। ঘুরে দেখেন এলাকা। মেয়র জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তিনি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে এসেছেন। সেচ দপ্তর থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে তীব্র খরস্রোতা তিস্তায় নদী বাঁধের কাজ চালিয়ে যেতে। তবে কাজের ব্যাঘাত ঘটছে। তিস্তার জল নামার পর বাঁধ দেওয়ার কাজ ভালোভাবে করার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি গৃহহীন পরিবারদের উপযুক্ত বাসস্থানের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানান মেয়র। সেই সঙ্গে গ্রাম দুটির মানুষদের সব রকম সহায়তার আশ্বাস দেন মেয়র গৌতম দেব।
