ভু*য়ো ভোটার ইস্যুতে চ*ড়া সুর বিজেপির

রাজ্যে ভুয়া ভোটার সংক্রান্ত অভিযোগকে সামনে রেখে শাসকদলের বিরুদ্ধে বিজেপির আক্রমণ আরও তীব্র হল। বুধবার শিলিগুড়ির সাংগঠনিক জেলা বিজেপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে স্থানীয় বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে নির্বাচন স্বচ্ছতা থেকে শুরু করে রাজ্যের রাজনৈতিক ভাষার উগ্রতার প্রসঙ্গও।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারী, যিনি দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে সভার কার্যক্রম নীরবে লক্ষ্য করেন। যদিও সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই তিনি করিডোর ছেড়ে বেরিয়ে যান। দলের অন্দরমহলে তাঁর উপস্থিতি ‘কৌশলগত পর্যবেক্ষণ’ হিসেবে দেখা হলেও, সরাসরি জনসংযোগে তিনি অংশ নেননি।

শঙ্কর ঘোষের বক্তৃতার কেন্দ্রে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক মন্তব্য—  তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা গণতন্ত্রের মূল কাঠামোর বিরুদ্ধে যায়। এই মন্তব্য মানুষকে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতাকেও উস্কে দিতে পারে।”

এরপরই ভুয়া ভোটার ইস্যুতে তিনি রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন। বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, “রাজ্যে পরিকল্পিতভাবে ভোটার তালিকায় অসঙ্গতি তৈরি করা হচ্ছে। যাদের প্রকৃত পরিচয় ও বসবাস যাচাই করা হয়নি, তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে ন্যায্য ভোটাররা বঞ্চিত হচ্ছেন ও নির্বাচন প্রভাবিত করার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখা ও রাজ্য সরকারের উচিত ভোটার পরিচয় যাচাই – প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা। শঙ্কর ঘোষ ‘এসআইআর’ প্রসঙ্গ টেনে দাবি করেন, রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার হলে ভবিষ্যতে নির্বাচন ঘিরে বিশ্বাসের সংকট তৈরি হতে পারে।